সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

করোনা ছিল ২০ হাজার বছর আগেও

এক-দুই বছর নয়। করোনাভাইরাসের সঙ্গে মানুষের সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০ হাজার বছর আগেও। এক গবেষণায় জানা গেছে, এখন যে অঞ্চল পূর্ব এশিয়া হিসেবে পরিচিত, ২০ হাজার বছর আগে সেই অঞ্চলেই মহামারি ডেকে এনেছিল করোনাভাইরাস। এই ‘সাক্ষাৎ’ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তার ছাপ এখনো রয়ে গেছে মানুষের জিনে। অস্ট্রেলিয়া ও ওয়াশিংটনের একদল বিজ্ঞানীর এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে কারেন্ট বায়োলজি নামের একটি বিজ্ঞান পত্রিকায়।

বিশ্বের ২৬টি জনগোষ্ঠীর দুই হাজার ৫০০ মানুষের জিনের গঠনগত বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করেছেন ওই বিশেষজ্ঞরা। দেখা গেছে, মানুষ যে কয়েক হাজার বছর আগেও করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়েছে, বিবর্তনের পরও সেই ছাপ রয়ে গেছে জিনে। এক গবেষকের কথায়, ‘‘ভাইরাস নিজের ‘কপি’ বা অনুলিপি তৈরি করে সংক্রমণ ছড়ায়। তবে এই কাজ করার জন্য তাদের নিজেদের কাছে কোনো উপায় নেই। এর জন্য কোনো ‘হোস্ট’ বা আধারের ওপর নির্ভর করতে হয় ভাইরাসকে। সেই আধারে প্রবেশ করে সেটির মাধ্যমে নিজেদের অনুলিপি তৈরি করে ভাইরাস।’’ এভাবেই মানুষের কোষকে আধার হিসেবে ব্যবহার করে বিস্তার লাভ করে ভাইরাস এবং ছাপ রেখে যায় জিনে।

গবেষকরা জানান, আধুনিক প্রযুক্তি সেই ‘ছাপ’ আবিষ্কার করে এবং তার ব্যাখ্যা করে প্রমাণ পেয়েছে যে এর আগেও মানবদেহের সঙ্গে করোনাভাইরাসের ‘পরিচয়’ হয়েছে। জিনের গঠন বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন চীন, জাপান ও ভিয়েতনামের পাঁচটি জনজাতির জিনে করোনার সঙ্গে লড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এর থেকে প্রমাণ হয় না এই তিন দেশেই শুধু করোনা ছড়িয়েছিল। বাকি দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গবেষণা না হওয়ায় হয়তো প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র : আনন্দবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com